জাপানে সানজিদারা দু’টি ম্যাচ খেলবে




জাপানে সানজিদারা দু’টি ম্যাচ খেলবে



জাপানের ওসাকায় ছোটদের ফুটবল ফেস্টিভেল অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বাংলাদেশের নারী ফুটবলারদের যাওয়ার আমন্ত্রণ রয়েছে। আগামী ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল দল জাপানে দুইটি ম্যাচ খেলবে বলে জানা গেছে।
প্রতিপক্ষ জাপানের অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবল দল। বাংলাদেশের মেয়েরা আগামী ৯-২৩ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডে এএফসি কাপ ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে খেলবে উত্তর কোরিয়া, জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস। এই অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব। বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে ভালো করতে চায়। জাপানের পর থাইল্যান্ডেও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে যেতে পারে  কৃষ্ণা, সানজিদা, মারিয়া, মারজিয়ারা।

0 comments:

যে ৫ খাবারে ডিএনএ ভালো থাকে

যে ৫ খাবারে ডিএনএ ভালো থাকে

বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে ডিএনএর যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এমন কিছু খাবার আছে, যা খেলে ডিএনএর ক্ষয় রোধ করা যায়। খাবারে বাড়তি একটু জিঙ্ক যুক্ত করলে ডিএনএর ক্ষয় ঠেকানো যায়। জিঙ্কযুক্ত খাবার খেলে তাই বুড়িয়ে যাওয়ার গতি কমে। শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি হলে রক্তে শ্বেতকণিকার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। ফলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। বাদাম, শিম, দুগ্ধজাত পণ্যে জিঙ্কের পরিমাণ বেশি থাকে।
দেখে নিন আর যে পাঁচ খাবারে জিঙ্ক বেশি থাকে:
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার চিলড্রেনস হসপিটাল অকল্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক জ্যানেট কিং বলেন, ‘খাবারে সামান্য জিঙ্ক বৃদ্ধি আমাদের শরীরে বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে, তা দেখে আমরা আশ্চর্য হয়েছি। এ ফল জিঙ্কের প্রভাবের বিষয় নিয়ে নতুন পরিকল্পনা বিষয়ে আলোকপাত করে।’
শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় মাইক্রো নিয়ট্রিয়েন্ট জিঙ্ক এবং জীবন টিকিয়ে রাখতেও দরকারি। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিশ্চিত করতে কাজ করে এই উপাদান। বিশ্বজুড়ে অনেক বাড়িতে সাদা চাল আর পরিশোধিত আটা-ময়দা ব্যবহার করা হয়। এতে শক্তি জুটলেও জিঙ্ক থাকে কম। এতে ডিএনএর ক্ষতি হয়। জিঙ্কসমৃদ্ধ কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:
ভেড়ার মাংস
ভেড়ার মাংসে যদিও চর্বির পরিমাণ বেশি, তবে তবে এটি জিঙ্কসমৃদ্ধ। ১০০ গ্রাম ভেড়ার মাংসে ৮ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

 মাশরুম
ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর। কয়েক ধরনের মাশরুম আছে, যাতে ক্যানসার প্রতিরোধী উপাদানও আছে। জিঙ্কের ভালো উৎস এটি।

গাঢ় চকলেট
জিঙ্কের উৎস হিসেবে ডার্ক বা গাঢ় চকলেট খেতে পারেন। এতে অবশ্য উচ্চ ক্যালরি থাকে। ১০০ গ্রাম ডার্ক চকলেটে ৯ মিলিগ্রাম জিঙ্ক পাওয়া যায়।

 কুমড়ার বীজ


কুমড়ার বীজ জিঙ্কের ভালো উৎস। এ ছাড়া এর অন্যান্য গুণও আছে। এটি ভালো ঘুমে ফল দেয়। এতে ওমেগা-৩ আছে, যা রক্তের চিনির মাত্রা ঠিক রাখে। ১০০ গ্রাম কুমড়ার বীজে ৭ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

 

 কাজুবাদাম


খাবারের তালিকায় কাজুবাদাম রাখতে পারেন। এতে জিঙ্ক রয়েছে। ১০০ গ্রাম কাজুবাদামে ৫ মিলিগ্রাম জিঙ্ক পাওয়া যায়। তথ্যসূত্র: আইএএনএস।

 

0 comments:

মিয়ানমারকে কড়া বার্তা দেবে বাংলাদেশ

মিয়ানমারকে কড়া বার্তা দেবে বাংলাদেশ

 

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গত অক্টোবরে সশস্ত্র বাহিনীর অভিযানের পর বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ শুরু হলে সমস্যাটি নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এতে সাড়া দেয়নি মিয়ানমার। রাখাইনের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়তে থাকায় শেষ পর্যন্ত ঢাকায় আলোচনার জন্য বিশেষ দূত পাঠিয়েছে মিয়ানমার। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে এবং রাখাইনের লোকজনের সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য মিয়ানমারকে কড়া বার্তা দেবে বাংলাদেশ।
তবে ঢাকা ও ইয়াঙ্গুনের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, মিয়ানমার যেহেতু আন্তর্জাতিক চাপের কারণে আলোচনায় বসছে, তাই দেশটির আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। ফলে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান নিয়ে সংশয় থেকে যায়।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চির বিশেষ দূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিউ তিন গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন। তিনি আজ বুধবার দুপুরে পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। গত অক্টোবরে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর সশস্ত্র বাহিনীর নিধনযজ্ঞ শুরুর পর নতুন করে অনুপ্রবেশ করেছে আরও প্রায় ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা। গত কয়েক বছরের নিয়মিত বিরতিতে নিকট প্রতিবেশী মিয়ানমার থেকে এ ধরনের অনুপ্রবেশ বাংলাদেশকে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন করে তুলছে। সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য মিয়ানমারকে মূলে যেতে হবে। অর্থাৎ রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে হবে। আলোচনায় মিয়ানমারকে এ বার্তাই দেবে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রায় ৩৩ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে প্রত্যাবাসনের কাজটি শুরু করছে না মিয়ানমার। উল্টো নিয়মিত বিরতিতে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের ফলে সেখানকার লোকজন এ দেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছে।
এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় টেকনাফের লেদায় মিয়ানমারের অনিবন্ধিত নাগরিকদের শিবিরের সভাপতি দুদু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে প্রায় পাঁচ হাজার রোহিঙ্গা সেখানে আশ্রয় নিয়েছে। আর উখিয়ার কুতুপালংয়ে মিয়ানমারের অনিবন্ধিত নাগরিকদের শিবিরের সভাপতি আবু সিদ্দিক বলেন, বালুখালির পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে প্রায় ১০ হাজার রোহিঙ্গা এ মাসের প্রথম ১০ দিনে আশ্রয় নিয়েছে।
ইয়াঙ্গুনের কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের সাম্প্রতিক অবস্থাসহ দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী গণতান্ত্রিক নেত্রী সু চি তাঁর বিশেষ দূতকে ঢাকায় পাঠিয়েছেন। মাস তিনেক আগে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নিয়ে নতুন করে সমস্যা শুরুর পর বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ বারবার মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে চাইলেও সাড়া দেয়নি মিয়ানমার। অথচ রাখাইনের নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলার সময় নভেম্বরে চীনের সীমান্তবর্তী শান প্রদেশে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রাণ হারানোর পরপরই চীনের সঙ্গে আলোচনায় বসে মিয়ানমার। রোহিঙ্গাদের নিয়ে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ বাড়তে থাকায় শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ তিন মাস পর এখন বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনায় বসছে মিয়ানমার।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমার যে আন্তরিক নয়, সেটি মিয়ানমারের সাম্প্রতিক তৎপরতা থেকে স্পষ্ট। ফলে বাংলাদেশ কঠোর বার্তা দিলে সেটা শেষ পর্যন্ত কতটা ফল দেবে, সে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। কারণ ১৯৭৮, ১৯৯২ ও ২০১২ সালে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সময় মিয়ানমারে ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিল সেনাবাহিনী। ২০১৫ সালের নভেম্বরে গণতান্ত্রিক নির্বাচনে সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) ক্ষমতায় এলে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালের অক্টোবরে সীমান্ত ফাঁড়িতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক নিধনযজ্ঞ শুরুর পর সে প্রত্যাশা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এমন ধারণা অমূলক হবে না যে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সামরিক জান্তা, রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ ও মিয়ানমারের সাধারণ লোকজনের ভাবনা একই বিন্দুতে মিলেছে। ফলে অন্য সময়ের চেয়ে এবারের পরিস্থিতিটা আলাদা। তাই ক্রমাগত আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত থাকলেই রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে পারে।
ঢাকা ও ইয়াঙ্গুনে কর্মরত কয়েকজন কূটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে ধারণা পাওয়া গেছে, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের জন্য মিয়ানমারের সরকার, সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের একসঙ্গে কাজ করাটা জরুরি। তাঁদের মতে, ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমার যে দুটি চুক্তিতে রাজি হয়েছিল, দেশটিকে তা মেনে চলতে মনে করিয়ে দেওয়া উচিত। ওই দুই চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের স্পষ্টভাবেই মিয়ানমারের বৈধ নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কাজেই রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধানের জন্য অর্থাৎ তাদের নাগরিকত্ব দিতে হলে মিয়ানমারের ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন জরুরি।
সম্প্রতি টেকনাফ, উখিয়াসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে নতুন অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারের বাইরে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দেখতে পাওয়া যায়। এভাবে এসব লোকজনের ছড়িয়ে পড়াটা বাংলাদেশের জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ তৈরি করেছে বলে মনে করে স্থানীয় প্রশাসন। বিশেষ করে এসব লোকজনকে এক জায়গায় রাখার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।
জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গতকাল সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, প্রাণ বাঁচাতে যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে, তারা এখন বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। এর ফলে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। এ কারণে এসব লোকের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করে এক জায়গায় জড়ো করে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য কক্সবাজারে জায়গা খোঁজা হচ্ছে।
জাতিসংঘ মহাসচিবকে চিঠি
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল টুসার্কেলস ডটনেট জানায়, রোহিঙ্গাদের নিপীড়ন থেকে রক্ষা করতে এবং দ্রুত হস্তক্ষেপসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে চিঠি দিয়েছে ভারতের একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠন। ইন্ডিয়ান হিউম্যান রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আলী রাজা খান চিঠিতে লিখেছেন, মিয়ানমারে বিশেষ করে মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি লোকজন, সেনাবাহিনী এবং সেনাসমর্থিত উচ্ছৃঙ্খল জনতা রোহিঙ্গাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। নিরপরাধ মানুষের ওপর সেখানে বর্বর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। 

0 comments:

Copyright © 2013 Top newas23